KM Farhan https://www.kmfarhan.com/2022/04/blog-post_26.html

ইনকাম বাড়ানোর সেরা উপায়।

আসসালামু আলাইকুম এই পোস্টটি প্রত্যেকের জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ আজ আমরা রিজিক বৃদ্ধির উপায়সমূহের মধ্যে কুরআন ও হাদীস থেকে ১৪ টি আমল শিখবো , ইনশাল্লাহ ।

রিজিক বৃদ্ধির জন্য আমাকে যে কাজগুলো করতে হবেঃ-

১। গুনাহ ত্যাগ করা। (ইনকাম বা রিজিক বাড়ানোর সেরা উপায়।)

২। অভাবের সময় আল্লাহমুখী হওয়া। (ইনকাম বা রিজিক বাড়ানোর সেরা উপায়।)

৩। বিয়ে করা। (ইনকাম বা রিজিক বাড়ানোর সেরা উপায়।)

৪। আল্লাহর নেয়ামতের শুকরিয়া আদায়। (ইনকাম বা রিজিক বাড়ানোর সেরা উপায়।)

৫। আল্লাহর পথে জিহাদ। (ইনকাম বা রিজিক বাড়ানোর সেরা উপায়।)

৬। আল্লাহর রাস্তায় হিজরত করা। (ইনকাম বা রিজিক বাড়ানোর সেরা উপায়।)
৭। ইবাদতের জন্য ঝঞ্ঝাটমুক্ত হওয়া। (ইনকাম বা রিজিক বাড়ানোর সেরা উপায়।)
৮। দুর্বলের প্রতি সদয় হওয়া। (ইনকাম বা রিজিক বাড়ানোর সেরা উপায়।)
৯। দরূদ পড়া। (ইনকাম বা রিজিক বাড়ানোর সেরা উপায়।)
১০। আত্মীয়দের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখা। (ইনকাম বা রিজিক বাড়ানোর সেরা উপায়।)
১১। বারবার হজ - উমরা করা। (ইনকাম বা রিজিক বাড়ানোর সেরা উপায়।)
১২। আল্লাহর রাস্তায় ব্যয় করা। (ইনকাম বা রিজিক বাড়ানোর সেরা উপায়।)
১৩। তাকওয়া ও তাওয়াক্কুল অবলম্বন। (ইনকাম বা রিজিক বাড়ানোর সেরা উপায়।)
১৪। তাওবা ও ইস্তেগফার করা। (ইনকাম বা রিজিক বাড়ানোর সেরা উপায়।)
কোরআন-হাদিসের দিকনির্দেশনায় বুঝা যায় রিজিক বৃদ্ধি সবচেয়ে কার্যকর আমল হলো ইস্তেগফারের আমল বশি বেশি করা, কি হবে তা জানতে ক্লিক করুন
আপনার জন্য আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ পোস্টঃ-

আরবি অক্ষরে বিভিন্ন হাদিস , মহানবী ( সঃ ) এর উক্তি , দোয়া এবং তার বাংলা অর্থ দেয়া হয়েছে । 

১। গুনাহ ত্যাগ করাঃ-

বরং তোমরা দুনিয়ার জীবনকে প্রাধান্য দিচ্ছ । অথচ আখিরাত সর্বোত্তম ও স্থায়ী । ' { সূরা আল - আ’লা , আয়াত : ১৬-১৭ } 

২। অভাবের সময় আল্লাহমুখী হওয়া 


আর তোমাদের রব বলেছেন , ' তোমরা আমাকে ডাক , আমি তোমাদের জন্য সাড়া দেব । ' { সূরা আল - মু'মিন , আয়াত : ৬০ } 

এ আয়াতে আল্লাহ দু'আ করার নির্দেশ দিয়েছেন আর তিনি তা কবুলের জিম্মাদারি নিয়েছেন । যাবৎ না তা কবুলে পথে কোনো অন্তরায় না হয় । যেমন ওয়াজিব তরক করা , হারাম কাজে জড়ানো , হারাম আহার গ্রহণ বা হারাপ পরিচ্ছদ পরা ইত্যাদি এবং কবুলকে খানিক বিলম্বিতকরণ ।

৩। বিয়ে করা 


আর তোমরা তোমাদের মধ্যকার অবিবাহিত নারী - পুরুষ ও সৎকর্মশীল দাস দাসীদের বিবাহ দাও । তারা অভাবী হলে আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদেরকে অভাবমুক্ত করে দেবেন । আল্লাহ প্রাচুর্যময় ও মহাজ্ঞানী । ' { সূরা আন - নূর , আয়াত : ৩২ } 

৪। আল্লাহর নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় 

আর যখন তোমাদের রব ঘোষণা দিলেন , ' যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় কর , তবে আমি অবশ্যই তোমাদের বাড়িয়ে দেব , আর যদি তোমরা অকৃতজ্ঞ হও , নিশ্চয় আমার আযাব বড় কঠিন । ' { সূরা ইবরাহীম , আয়াত : ০৭ } 

৫। আল্লাহর পথে জিহাদ 

একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি হাসিলের জিহাদেও সম্পদের ব্যপ্তি ঘটে । গনীমত বা যুদ্ধলব্ধ সম্পদের মাধ্যমে সংসারে প্রাচুর্য আসে । যেমন ইবন উমর রাদিআল্লাহু আনহু কর্তৃক বর্ণিত , রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন ,

অন্যান্য ‘ আর আমার রিজিক রাখা হয়েছে আমার বর্শার ছায়াতলে । ” [ মুসনাদ আহমদ : ৫৬৬৭ ; বাইহাকী : ১৯৫৪ ; শু’আবুল ঈমান : ১৯৭৮৩ ] 

৬। আল্লাহর রাস্তায় হিজরত করা 


আর যে আল্লাহর রাস্তায় হিজরত করবে , সে যমীনে বহু আশ্রয়ের জায়গা ও সচ্ছলতা পাবে । আর যে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের উদ্দেশ্যে মুহাজির হয়ে নিজ ঘর থেকে বের হয় তারপর তাকে মৃত্যু পেয়ে বসে , তাহলে তার প্রতিদান আল্লাহর উপর অবধারিত হয় । আর আল্লাহ ক্ষমাশীল , পরম দয়ালু । ' { সূরা আন - নিসা , আয়াত : ১০০ } 

৭। ইবাদতের জন্য ঝঞ্ঝাটমুক্ত হওয়া 

আল্লাহ তা'আলা বলেন , হে আদম সন্তান , আমার ইবাদতের জন্য তুমি ঝামেলামুক্ত হও , আমি তোমার অন্তরকে প্রাচুর্য দিয়ে ভরে দেব এবং তোমার দারিদ্র ঘুচিয়ে দেব । আর যদি তা না কর , তবে তোমার হাত ব্যস্ততায় ভরে দেব এবং তোমার অভাব দূর করব না । ' [ তিরমিযী : ২৬৫৪ ]

৮। দুর্বলের প্রতি সদয় হওয়া

মুস’আব ইবন সা’দ রাদিআল্লাহু আনহু যুদ্ধজয়ের পর মনে মনে কল্পনা করলেন , তিনি বোধ হয় তাঁর বীরত্ব ও শৌর্য - বীর্য হেতু অন্যদের চেয়ে নিজেকে বেশি মর্যাদাবান । সেই প্রেক্ষিত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন ,

 তোমাদের মধ্যে থাকা দুর্বলদের কারণে কেবল তোমাদের সাহায্য করা হয় এবং রিজিক প্রদান করা হয় । ' [ বুখারী : ২৮৯৬ ] 

৯। দরূদ পড়া

আমি জিজ্ঞেস করলাম , হে আল্লাহর রাসূল , আমি আপনার প্রতি অধিকহারে দরূদ পড়তে চাই , অতএব আমার দু'আর মধ্যে আপনার দরূদের জন্য কতটুকু অংশ রাখব ? তিনি বললেন , তুমি যতটুকু চাও । কা'ব বলেন , আমি বললাম , এক চতুর্থাংশ । তিনি বললেন , তুমি যতটুকু চাও । তবে যদি তুমি বেশি পড় তা তোমার জন্য উত্তম হবে । আমি বললাম , অর্ধেক ? তিনি বললেন , তুমি যতটুকু চাও । তবে তুমি যদি বেশি পড় তা তোমার জন্য উত্তম হবে । কা’ব বলেন , আমি বললাম , তাহলে দুই তৃতীয়াংশ ? তিনি বললেন , তুমি যতটুকু চাও । তবে তুমি যদি বেশি পড় তা তোমার জন্য উত্তম হবে । আমি বললাম , আমার দু'আর পুরোটা জুড়েই শুধু আপনার দরূদ রাখব । তিনি বললেন , তাহলে তা তোমার ঝামেলা ও প্রয়োজনের জন্য যথেষ্ট হবে এবং তোমার গুনাহ ক্ষমা করা হবে । [ তিরমিযী : ২৬৪৫ ; হাকেম , মুস্তাদরাক : ৭৬৭৭ ( আবূ ঈসা বলেন , হাদীসটি ‘ হাসান ’ সহীহ । ) ] 

১০। আত্মীয়দের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখা 

আত্মীয়দের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা এবং তাদের হক আদায়ের মাধ্যমেও রিজিক বাড়ে । যেমন : আনাস ইবন মালেক রাদিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত , তিনি বলেন , আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি তিনি ইরশাদ করেন ,

অন্যান্য যে ব্যক্তি কামনা করে তার রিজিক প্রশস্ত করে দেওয়া হোক এবং তার আয়ু দীর্ঘ করা হোক সে যেন তার আত্মীয়দের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখে । ' [ বুখারী : ৫৯৮৫ ; মুসলিম : ৪৬৩৯ ] 

১১। বারবার হজ - উমরা করা 

তোমরা হজ ও উমরা পরপর করতে থাক , কেননা তা অভাব ও গুনাহ দূর করে দেয় , যেমন দূর করে দেয় কামারের হাপর লোহা , সোনা ও রুপার ময়লাকে । ” [ তিরমিযী : ৮৯৫ ; নাসাঈ : ২৬৩ ″ ] 

১২। আল্লাহর রাস্তায় ব্যয় করা 

নিশ্চয় আমার রব তাঁর বান্দাদের মধ্যে যার জন্য ইচ্ছা রিযক প্রশস্ত করেন এবং সঙ্কুচিত করেন । আর তোমরা যা কিছু আল্লাহর জন্য ব্যয় কর তিনি তার বিনিময় দেবেন এবং তিনিই উত্তম রিযকদাতা । ' { সূরা আস - সাবা ' , আয়াত : ৩৯ }

১৩। তাকওয়া ও তাওয়াক্কুল অবলম্বন

‘ আর যে আল্লাহকে ভয় করে , তিনি তার জন্য উত্তরণের পথ তৈরী করে দেন । এবং তিনি তাকে এমন উৎস থেকে রিযক দিবেন যা সে কল্পনাও করতে পারবে না । আর যে আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করে আল্লাহ তার জন্য যথেষ্ট । আল্লাহ তাঁর উদ্দেশ্য পূর্ণ করবেনই । নিশ্চয় আল্লাহ প্রত্যেক জিনিসের জন্য একটি সময়সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছেন । ’ { সূরা আত - তালাক , আয়াত : ২-৩ } অর্থাৎ যে আল্লাহকে ভয় করবে এবং আনুগত্য দেখাবে , আল্লাহ তার সকল সংকট দূর করে দেবেন এবং তার কল্পনাতীত স্থান থেকে রিজিকের সংস্থান করে দেবেন । আর যে কেউ তার উদ্দেশ্য হাসিলে একমাত্র আল্লাহর শরণাপন্ন হয় তিনিই তার জন্য যথেষ্ট হয়ে যান । বলাবাহুল্য এই তাকওয়ার পরিচয় মেলে হালাল উপার্জনে চেষ্টা এবং সন্দেহযুক্ত কামাই বর্জনের মধ্য দিয়ে । 

১৪। তাওবা ও ইস্তেগফার করা

আর বলেছি , ‘ তোমাদের রবের কাছে ক্ষমা চাও ; নিশ্চয় তিনি পরম ক্ষমাশীল ’ । ( তাঁর কাছে ক্ষমা চাইলে ) ' তিনি তোমাদের উপর মুষলধারে বৃষ্টি বর্ষণ করবেন , আর তোমাদেরকে ধন - সম্পদ ও সন্তান - সন্ততি দিয়ে সাহায্য করবেন এবং তোমাদের জন্য বাগ - বাগিচা দেবেন আর দেবেন নদী - নালা ’ । { সূরা নূহ , আয়াত : ১০-১২ } হাদীসে বিষয়টি আরেকটু খোলাসা করে বলা হয়েছে , আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস রাদিআল্লাহু আনহু কর্তৃক বর্ণিত , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন ,

যে ব্যক্তি নিয়মিত ইস্তেগফার করবে আল্লাহ তার সব সংকট থেকে উত্তরণের পথ বের করে দেবেন , সব দুশ্চিন্তা মিটিয়ে দেবেন এবং অকল্পনীয় উৎস থেকে তার রিজিকের সংস্থান করে দেবেন । ’ [ আবূ দাউদ : ১৫২০ ; ইবন মাজা : ৩৮১৯ ; তাবরানী : ৬২৯ ″ ] [ 8 ] 

রিলেটেড সার্চ:-

রিজিক ব্যবস্থার আমল

বেশি রিজিকের দোয়া 

টাকা পয়সা বৃদ্ধির আমল

রুজি রোজগার বৃদ্ধির দোয়া

সর্বোত্তম রিজিক






অন্যদের সাথে শেয়ার করুন

0 Comments

দয়া করে নীতিমালা মেনে মন্তব্য করুন ??

নটিফিকেশন ও নোটিশ এরিয়া