KM Farhan https://www.kmfarhan.com/2021/07/blog-post.html

কপি-পেষ্ট করে ইউটিউব থেকে আয় _ কাসমিম | ইউটিউব থেকে আয়ের সহজ উপায়।

আসসালামুআলাইকুম রাহমাতুল্লাহে ওবারাকাতুহু, এই ওয়েবসাইটে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন বিষয় ভিত্তিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে পোস্ট পাবলিশ করা হয় তাই নিয়মিত সাইটটি ভিজিট করুন।

আজকে আমরা আলোচনা করবঃ

  • কিভাবে ইউটিউব থেকে কপি পেস্ট করে ইনকাম করা যায়। বা কিভাবে কপি পেস্ট করে ইউটিউব থেকে আয় করা যায়।
  • ইউটিউবে গুগল এডসেন্স ছাড়া কিভাবে আয় করা যায়। বা ইউটিউবে গুগল এডসেন্স ছাড়াও আয় করার নিয়ম। 
  • ইউটিউব থেকে আয়ের সহজ উপায়। 

কপি পেষ্ট করে আয় করার নিয়মঃ

এ বিষয়ে পোস্ট করার কৌতুহল আমার একটু বেশি কারণ আমার এক পরিচিত বড় ভাই শুধু কপি পেস্ট করে সহজ কিছু উপায়ে ইউটিউব থেকে অনেক অর্থ উপার্জন করে।

৯১০$=প্রায় ৮০০০০/-৳,
তিনি যে ভিডিওগুলো পাবলিশ করে সে গুলো মুলত আমেরিকা, কানাডার মতো উন্নত দেশ গুলো থেকে বেশি ভিউ হয়। যার জন্য আয় বেশি হয়ে থাকে। আর ওই সব দেশ গুলোর cpc রেট অনেক বেশি।
পোস্টটি মনোযোগ সহকারে ৫ মিনিট পড়েন এতে ইউটিউব থেকে অনেক পদ্ধতিতে আয় সম্বন্ধে জানতে পারবেন। 

তাহলে আলোচনা সুরু করা যাক কপি পেস্ট কিভাবে করে আয় করা যায়। বা তিনি তার আয়ের জন্য কিভাবে কাজ করেছেন সে বিষয়ে। 

তার চ্যানেলে বেশি আয় হয়েছে তার চ্যানেলে আপলোড করা মোটিভেশনাল ভিডিও থেকে কেননা প্রতিদিন কেউনা কেউ নেটে সার্চ করে মোটিভেশনাল ভিডিও লিখে আর আপনার ভিডিও থাম্বেল বা আপনার টপিক যদি পছন্দ হয়ে যায় ভিউয়ার্সদের তাহলে তো হয়েই গেল।

মোটিভেশনাল ভিডিও বানিয়ে আয়ঃ

আমি এখন আলোচনা করবও
,কিভাবে কপি পেস্ট করে মোটিভেশনাল ভিডিও বানাবো। বা কিভাবে কপি পেস্ট করে ভিডিও তৈরি করে ইউটিউব থেকে আয় করবেন।

আপনি বিষয়ে কাজ করতে পারেন কারণ এই বিষয়ে অনেক ট্রাফিক জমা হয়। এ বিষয়টি নিয়ে কাজ করলে দেখা যাবে আপনার ইউটিউব চ্যানেল দ্রুত গ্র করবে। এবং আমরা কিছুক্ষণ পর আলোচনা করব কিভাবে গুগল এডসেন্স ছাড়াও ইউটিউব থেকে কিভাবে আয় করা যায়।

আপনি যদি ইংলিশ কনটেন্ট নিয়ে কাজ করেন তাহলে সিপিসি রেট বেশি পাবেন সিপিসি মানে হল কষ্ট পার ক্লিক। আপনি যদি বাংলা কনটেন্ট এ কাজ করেন তাহলে ইন্ডিয়া অথবা বাংলাদেশের মানুষ যখন ভিডিওগুলো দেখবে তখন আপনার ভিডিওতে ১০০০ ভিউতে ৪/৫ ডলার করে আয় করতে পারবেন। যদি ইংলিশ কন্টেন নিয়ে কাজ করেন তাহলে প্রতি হাজার ভিউ ২০ থেকে ৩০ ডলার পর্যন্ত পেতে পারেন।

আপনি হয়তো ভাবছেন যে আপনি ইংরেজিতে অতটা পারদর্শী না একটা কথা মাথায় রাখবেন, কোন কিছু পারফেক্ট থাকে না পারফেক্ট করে নিতে হয়।

তবে মজার বিষয় আপনি শুধু রিডিং পড়ে ভয়েস রেকর্ড করলেই হবে কিন্তু আপনি যদি বুঝতে পারেন যে কি লেখা আছে একটু আবেগময়ী একটু সিরিয়াসলি একটু এমোশনালি যদি ইংরেজিতে কথা বলতে পারেন তাহলে ভাই আপনার চ্যানেলে রেগুলার ভিউ করবে এমন ভিউয়ার এর সংখ্যা অনেক বেড়ে যাবে।

কিভাবে মোটিভেশনাল ভিডিও বানাবেনঃ

এখন আলোচনা করব, কিভাবে মোটিভেশনাল ভিডিও বানিয়ে ইউটিউব থেকে আয় করবেন। কপি পেস্ট করে কিভাবে আয় করব বা সহজ ভাবে ইউটিউব থেকে আয় করার উপায়।

যেহেতু আমি এই পোস্টটিতে দেখাচ্ছি কিভাবে কপি পেস্ট করে আপনি আয় করতে পারেন, আপনি যদি মোটিভেশনাল ভিডিও তৈরি করে যদি আয় করতে চান তাও আবার কপি পেস্ট করে তাহলে, অডিও মোটিভেশনাল স্পিচ পেতে এখানে ক্লিক করুন। 

কিন্তু মজার বিষয় হলো এখান থেকে আপনি অডিও ব্যবহার করলে আপনার ভিডিওতে কোনরকম কপিরাইট ক্লেইম দেওয়া হবে না। তাই আপনি এখান থেকে অডিও ব্যবহার করে কপি পেস্ট করে আয় করতে পারেন বা সবচেয়ে সহজ উপায় ইউটিউব থেকে আয় করতে পারেন। 

কপি পেস্ট করে ভিডিও তৈরি করে আয় করা যায় সম্পর্কে আপনাকে জানাচ্ছি। আপনি মোটিভেশনাল ভিডিও বানাবেন তাও আবার কপি পেস্ট করে আবার আপনি চান যাতে আপনি কপিরাইট ক্লেইম ও যেন না খান তাহলে আপনি ভিডিও কালেক্ট করবেন যে সাইটটি থেকে সেই সাইটটি ভিজিট করতে ক্লিক করুন

তাহলে আপনি মোটিভেশনাল ভিডিও বানিয়ে আয় করবেন তাও আবার কপি পেস্ট করে এরকম সহজভাবে আয় করার জন্য আপনি অডিও কালেক্ট করতে এখানে ক্লিক করুন
এবং ভিডিও কালেক্ট করতে এখানে ক্লিক করুন

তাহলে ভিডিও বানানোর জন্য অডিও প্রস্তুত ভিডিও ও প্রস্তুত এখন শুধু দরকার ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক এবং ভিডিওটা এডিটিং।
সম্পূর্ণ কপিরাইট ফ্রি ব্যাকগ্রাউন্ড অডিও মিউজিক পেতে সার্চ করুন ইউটিউব অডিও লাইব্রেরী ইংলিশে সার্চ করবেন।

এখন আর বসে থাইকেন না কাজ শুরু করেন আপনি পেয়েছেন,

অডিও লিংক

ভিডিও লিংক

এবং ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক। 

এখন আপনি আপনার পছন্দ মত যে কোন একটা এডিটিং অ্যাপস দিয়ে ভিডিও কালেক্ট করার লিঙ্ক থেকে কয়েকটি ভিডিও ডাউনলোড করবেন এবং অডিও পাওয়ার জন্য ওই লিঙ্ক থেকে পছন্দমত কোন স্পিকারের ভয়েস ওভার কালেক্ট করবেন এবং শেষমেষ ভিডিওটিতে একটি ক্লাসিক ব্যাকগ্রাউন্ড ইনস্পিরেশনাল মটিভেশনাল ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক এড করবেন।

এডিটিং একেকজনের একেক রকম পছন্দ তাই আর এডিটিং এর বিষয়টি দেখালাম না।

এই পোষ্টের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আপনি ইউটিউবে ভিডিও আপলোড করলে তার ইনকাম শুরু হয়ে যাবে না। এখন আলোচনার বিষয় কিভাবে নিজের চ্যালেন কে মনিটাইজ না করিয়ে কিভাবে আয় করবেন,

clickbank.com

Shrinkearn.com

Adcash 

এর মত ওয়েবসাইট থেকে।

ছবি ব্যবহার করে আয়ঃ

এখন আমি আলোচনা করব ছবি ব্যবহার করে কিভাবে ভিডিও বানিয়ে সেটা থেকে আয় করবেন । 
আপনি এমন অনেক মুভি দেখেছেন যা অনেক বার দেখার পরও আপনার কাছে এখনো অনেক ভালো লাগে। যেমন: স্পাইডারম্যান, ব্যাটম্যান, সুপারম্যান, টার্মিনেটর, হ্যারি পটার, ফাস্ট এন্ড ফিউরিয়াস ইত্যাদি এই মুভি গুলোর নাম বলার একমাত্র কারণ এগুলো আমার অনেক ভালো লেগেছিল।

এখন এই বিষয়ে মূল আলোচনা শুরু করি, আপনি গুগল এ সার্চ করবেন আপনার পছন্দের মুভি এক্টর দের,

এখন প্রশ্ন হলো ছবি ব্যবহার করে কিভাবে ভিডিও তৈরি করবেন বা কিভাবে ছবি ব্যবহার করে ভিডিও তৈরি করে ইউটিউব থেকে আয় করবেন।


আপনার প্রথম কাজ হবে একটি অ্যাপস ডাউনলোড করা। ডাউনলোড করতে, এখানে ক্লিক করুন

স্টেপ ১;–  এরপর অ্যাপস টি ওপেন করবেন। এর আগে যে কোন একটি মুভি সিলেক্ট করুন যা আপনার পছন্দের। এরপর গুগলের সার্চ করবেন সেই মুভির এক্টর দের নাম কি? তা লিখে । 

স্টেপ ২;–  নাম যখন জানা হয়ে যাবে প্রত্যেকটির নাম লিখে গুগলে সার্চ করে তাদের বর্তমান এ ছবি এবং মুভিতে কাজ করা কালীন সময়ে তাদের ছবি ডাউনলোড করুন এরপর দুই মুহূর্তের ছবি একটি ফ্রেমে এড করুন।

নিচের পিকচারের মত,

একই পদ্ধতি অবলম্বন করে মুভিতে কাজ করা প্রতিটা ব্যক্তির ছবি এমন করেন সাজান।

এরপর যেকোনো পছন্দমত একটি ভিডিও এডিটর ডাউনলোড করে প্রতিটা ছবি একসাথে করে একটি ভিডিও তৈরি করুন, প্রতিটা ছবি যেন ভিডিওতে ৩ থেকে ৫ সেকেন্ড দেখা যায় এমন করে ভিডিওটি তৈরি করবেন।

ভিডিও কেমন হওয়া উচিত তা দেখে আইডিয়া নেওয়ার জন্য ক্লিক করুন। 

স্টেপ ৩;–  যেহেতু সকল কাজ শেষ এখন কাজ হলো ভিডিওটিতে একটি কপিরাইট ফ্রি মিউজিক এড করা। 

কপিরাইট ফ্রি মিউজিক পেতে ক্লিক করুন এখানে। 

ইউটিউবে কপি পেস্ট করে ভিডিও তৈরি করার অনেকগুলো নিয়ম দেখিয়েছি এবং আরো দেখাবো। যার মাধ্যমে আপনি ইউটিউব এ কপি পেস্ট করে তৈরি করা ভিডিও আপলোড করে সেখান থেকে আয় করতে পারবেন।

প্রাকৃতিক ভিডিও বানিয়ে আয়ঃ

ইউটিউব চ্যানেল মনিটাইজ করার নিনজা টেকনিক এখন আলোচনা করছি।

আপনি ভিডিও বানানোর পর কেমন হবে তা দেখতে এখানে ক্লিক করুন

আপনি যদি একজন নতুন ইউটিউবার হয়ে থাকেন, আপনি চাইলে এক মাসের মধ্যে আপনার চ্যানেলটিকে মনিটাইজেশন এর জন্য যোগ্য করে তুলতে পারবেন।

আপনি যদি ৮ ঘন্টার একটা ভিডিও বানান, আর সেটা যদি 500 মানুষকে দেখাতে পারেন তাহলে আপনার 4000 ঘন্টা ওয়াচিং টাইম পেয়ে যাচ্ছেন আর সাবস্ক্রাইবার বিষয়টা ভিডিও শেয়ার দিবেন আর বলবেন ভালো মানের ভিডিও আপলোড করবো আমি সবাই আমার চ্যানেলটা সাবস্ক্রাইব করো ভিজিট করো, তাহলেই হয়ে যাবে।

এখন আমি আপনাদেরকে জানবো কিভাবে প্রাকৃতিক বিভিন্ন ভিডিও আপনি বানাবেন। শুধুমাত্র কপি পেস্ট করে। এই বিষয়টি তুলে ধরার কারণ সেখান থেকে আপনি বেশ ভালো ওয়াচিং টাইম বাড়াতে পারবেন। 

এবং আপনার যদি মনিটাইজেশন করা ইউটিউব চ্যানেল থাকে তাহলে এই সমস্ত ভিডিও এর মাধ্যমে আপনি অনেকগুলো অ্যাড দেখাতে পারবেন যার ফলে আপনার ইনকাম টা অনেক বেশি হবে।

ইউটিউব এ প্রাকৃতিক সাউন্ড নিয়ে কাজ করলে আপনি অনেক দ্রুত মনিটাইজেশন পেতে পারেন কেন বলছি এই কথা, এখনকার অনেক মানুষ  ডিপ্রেশনে ভোগেন যার জন্য তাদের  রাতে খুব একটা ঘুম হয় না। 

প্রাকৃতিক সাউন্ড শুনলে দেখা যায় যে আমাদের ঘুমটা খুব দ্রুত চলে আসে। কেননা এই সাউন্ড আমাদের মস্তিষ্ককে অনেক ভালো অনুভূতি প্রদান করে যারা এই বিষয়টি জানেন তারা অনেকেই রাতে ঘুমানোর আগে এই সকল ভিডিও চালু করে শুনে।

এখন আপনি যদি এমন টাইপের ভিডিও তৈরি করে থাকেন দেখা যায় যে একটা ভিউয়ারের কারণে আপনি সাত-আট ঘণ্টা ওয়াচিং টাইম গেইন করতে পারছে না।

আমরা আর কথা না বাড়াই এখন আলোচনা করব কিভাবে প্রাকৃতিক ভিডিও তৈরি করে আপনি আয় করবেন, বলতে পারেন এটা অনেক সহজ একটি উপায় টাকা উপার্জন করার ইউটিউব থেকে।

খুব সহজ এই ভিডিওগুলো বানানো জাস্ট আপনি কপি পেস্ট করবেন আর কপি পেস্ট করে আপনি আয় করতে পারবেন। এই পোস্টটিতে আমি শুধু শেয়ার করেছি যারা কপি পেস্ট করে আয় করতে চান ইউটিউব থেকে।

স্টেপ;- ১ ভিডিও বানানোর জন্য ভিডিও ডাউনলোড করবেন যে ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন। ওয়েবসাইটটিতে ঢুকে ন্যাচারাল ভিডিও লিখে সার্চ করুন এবং ডাউনলোড করুন। 

স্টেপ;- ২ ভিডিও এর সঙ্গে মিল রেখে কপিরাইট ফ্রি মিউজিক ডাউনলোড করুন। কপিরাইট ফ্রি মিউজিক ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন

স্টেপ;- ৩ শেষ কাজ হল ভিডিও এডিটিং। আপনি চাইলে বর্তমানের সেরা ভিডিও এডিটর অ্যাপস কাইনমাস্টার ডাউনলোড করতে পারেন। ওয়াটারমার্ক ছাড়া কাইনমাস্টার অ্যাপ ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন। 

এরপর কাজ হলো কাইনমাস্টার অ্যাপস টি দিয়ে আপনার ভিডিও এডিট করা। অ্যাপসটি দিয়ে আপনার ভিডিওটিকে টেনে বড় করবেন। সাত আট ঘণ্টার। এরকম ভিডিও অনেকেই দেখে যাদের রাতে পরিমাণমতো ঘুম হয় না বিভিন্ন দুশ্চিন্তার জন্য।
তারা দ্রুত ঘুম আসার জন্য এই সমস্ত সাউন্ড শুনে থাকে।

আমার পোস্টটি পড়ে উপকৃত হলে অবশ্যই জানাবেন এবং যেকোনো সমস্যায় কমেন্ট করতে পারেন।

অন্যদের সাথে শেয়ার করুন

0 Comments

দয়া করে নীতিমালা মেনে মন্তব্য করুন ??

নটিফিকেশন ও নোটিশ এরিয়া