KM Farhan https://www.kmfarhan.com/2021/03/easy-way-to-make-driving-licence.html

Easy way to make driving licence | দালাল ছাড়া ড্রাইভিং লাইসেন্স করার উপায়

আসসালামুআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ ,আজকে আমরা আলোচনা করব Easy way to make driving licence / দালাল ছাড়া ড্রাইভিং লাইসেন্স করার উপায় ।

আমাদের বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তারা সর্বদা বাড়তি আয় এর আশায় সাধারন পাবলিকের প্রতিটা কাজে একটু সুবিধা দিবে এটা দেখিয়ে অতিরিক্ত অর্থ তারা নিয়ে থাকেন, যা আইন বিরোধী।

সত্যিকার অর্থে ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে 3000 টাকা এর মত লাগে কিন্তু আমরা সাধারন জনগন 10 থেকে 15 হাজার টাকা অব্দি দিয়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স করে থাকি। এই অতিরিক্ত টাকা টা দালালরা খেয়ে থাকে, তাই আজকে আপনাদের কে জানাব কিভাবে দালাল ছাড়া ড্রাইভিং লাইসেন্স করবেন / দালাল ছাড়া ড্রাইভিং লাইসেন্স করার উপায়।

বাংলাদেশের সরকারি কর্মকর্তারা তাদের কাজগুলো অবহেলা সাথে করায় যেকোনো কাজ অনেক দেরি হয় করতে। এর মাধ্যমে তারা অতিরিক্ত একটা আয়ের সুযোগ বের করে নিয়েছে।

তাদের লোকরাই সাধারণ লোকদের কাছে যেয়ে বলে ,"আপনি যদি 10000 টাকা দেন তাহলে আপনার কাজটা স্যার কে দিয়ে আমি সম্পূর্ণ করে দিব। আপনার এত দৌড়াদৌড়ি করতে হবে না।

যেহেতু অনেক সময় পার হয়ে যায় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে-থাকতে এজন্য যে কেউই বলে যে ঠিক আছে। এই সমস্যাটা বা অতিরিক্ত অর্থ আপনাকে যেন প্রদান করতে না হয় তাই আজকে আপনাকে জানাবো দালাল ছাড়া ড্রাইভিং লাইসেন্স করার নিয়ম।

দালাল ছাড়া ড্রাইভিং লাইসেন্স করার নিয়ম:

আপনাকে প্রথমে যে কাজগুলো করতে হবে বা যে জিনিস গুলো লাগবে।

১. জন্ম নিবন্ধন কার্ড (18 বছর হয়েছে)/ভোটার আইডি কার্ড এর ফটোকপি।

২. এরপর আপনি কাগজ গুলো নিয়ে আপনার নিকটস্থ বিআরটিএ অফিসে যেয়ে, যে ব্যাংক থাকবে বি আর টি অফিস এর ভিতরে সে ব্যাংকে টাকা প্রদান করবেন ৩৪৫ টাকা আবেদনের জন্য। আপনি যদি প্রাইভেটকার এবং বাইকের জন্য করতে চান তাহলে ৫১৮ টাকা লাগবে। এটা দালাল ছাড়া ড্রাইভিং লাইসেন্স করার উপায় । দালাল দিয়ে কাজটি করাতে গেলে আপনার খরচ হবে ডাবল।

৩. এরপর আপনি বিআরটি অফিসের আশেপাশে কোন কম্পিউটারের দোকানে যেয়ে বলবেন, বাইকের ড্রাইভিং লাইসেন্স এর জন্য এপ্লাই করব / লার্নার এর জন্য এপ্লাই করব। It's a very easy way to make driving licence. এরপর আপনি লার্নার এর জন্য ফরম পূরণ করবেন ।

৪. এরপর আপনি সব কাগজ গুলো একসাথে করবেন আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র এর ফটোকপি, ব্যাংক রিসিট, তিনটা করে স্ট্যাম্প সাইজ এবং পাসপোর্ট সাইজের ছবি এবং লার্নার অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম। সাথে মেডিকেল সার্টিফিকেট যা আপনি বিআরটি তে যোগাযোগ করলেই ব্যবস্থা হয়ে যাবে। এরপর সব কাগজ করলে একসাথে করে বিএটি তে জমা দিবেন।

এই কাগজগুলো হলেই আপনি লার্নার এর জন্য এপ্লাই করতে পারবেন। আপনি বিষয় গুলো জানার মাধ্যমে আপনাকে আর দালালের সাহায্য নিতে হবে না। তাই আমি আপনাকে জানাচ্ছি, দালাল ছাড়া ড্রাইভিং লাইসেন্স করার উপায়।

৫. এরপর আপনি জিজ্ঞেস করবেন যে লার্নার এর জন্য কাগজগুলো কোথায় জমা দিতে হয়। এরপর যে কেউ আপনাকে দেখিয়ে দিবে আপনি জমা দিবেন আপনার কাজ শেষ। দুই থেকে এক সপ্তাহের মধ্যে আপনাকে লার্নার এর কাগজ দেওয়া হবে। 

কেউ যদি বলে যে, দেন কাগজ গুলা দেন আমি করে দিচ্ছি তারমানে আপনি বুঝতে পারবেন যে লোকটি দালাল। তাই আপনাকে আমি বিস্তারিত জানাচ্ছি দালাল ছাড়া ড্রাইভিং লাইসেন্স করার উপায় । যেন আপনি দালাল ছাড়াই আপনার কাজগুলো সম্পন্ন করতে পারেন।

৬. লার্নার এর কাগজ যেদিন দিবে সেদিন আপনি পরীক্ষার ডেট সম্পর্কে জানবেন। সেটা এক সপ্তাহ হতে পারে আবার এক বছর হতে পারে সত্যি কথা ভাই এরকম হইছে, 

তবে চিন্তার কোন কারণ নেই লার্নার এর কাগজ পাওয়ার পর আপনি দুমাস পর আপনি আবার বিআরটিতে যেয়ে বলবেন আমার এক্সাম ডেট কোথা থেকে নিব বা আপনার সমস্যার সব কথা আপনি অনুসন্ধান কেন্দ্র তে বলবেন।

আপনাকে আমি দালাল ছাড়া ড্রাইভিং লাইসেন্স করার উপায় সম্পর্কে একটু বিস্তারিত বলছি যেন দালালের সাহায্য ছাড়াই আপনি আপনার কাজগুলো করতে পারেন।

৭. আপনি কি পরীক্ষার ডেট দেওয়া হলে পরীক্ষা দেয়ার ডেট অনুযায়ী বিআরটিতে হাজি হবেন। ঘাবড়ানোর কিছু নেই, আপনাকে যে সিট দিবে অথবা যে কোন লাইব্রেরী থেকে আপনি বইটি কিনতে পারেন বলবেন যে আমি ড্রাইভিং এর পরীক্ষা দিব, এই বইটি দেন। 

ওইটা একদিন পড়লেই আপনি পরীক্ষা দিতে পারবেন। এতোটুকু কাজই একটু ঝামেলার এতোটুকুন যদি পারেন তাহলে আপনার আর দালালের সাহায্য নিতে হবে না। কেননা আপনাকে আমি বিস্তারিত জানাচ্ছি দালাল ছাড়া ড্রাইভিং লাইসেন্স করার নিয়ম।

৮. সব জায়গাতে খুব গুরুত্ব ভাবে আপনি দেখে নিবেন আপনার নাম ,আপনার বাবা-মার নাম এবং আপনার এড্রেস। এগুলোর কোনো একটা ভুল গেলে আপনাকে আবার প্রথম থেকে সব শুরু করতে হবে। 

৯. পরীক্ষা দেওয়ার তিন দিনের ভিতরেই ফলাফল দেওয়া হয়। আপনাকে মেসেজ দেওয়া হবে যদি মেসেজ না পান তাহলে আপনি আবার বিআরটিতে যাবেন।

যেহেতু আপনি দালাল ছাড়া কাজ করছেন আপনি কি নিজেকে মাথা খাটিয়ে এবং এলার্ট হয়ে কাজ করতে হবে। যদিও আমি আপনাকে দালাল ছাড়া ড্রাইভিং লাইসেন্স করার উপায় বিস্তারিত জানাচ্ছি এতে আপনার কোন সমস্যা হওয়ার কথা না।

১০. তারপর আবার শেষবারের মতো আপনি টাকা দিবেন ব্যাংকে , ২৫২৪ টাকা এরপর একটা ডেট দিবে আপনি ড্রাইভিং লাইসেন্স পেয়ে যাবেন। 

যেকোনো একটা কম্পিউটারের দোকানে যাবেন স্মার্ট কার্ডের এপ্লাই এর জন্য ।

১১. এরপর আবার কিছু কাগজ জমা দিতে হবে, যে জিনিস গুলো লাগবে। ১*একটা পাসপোর্ট সাইজের ছবি, ২*আবারও একটি জাতীয় পরিচয় পত্র অথবা জন্ম নিবন্ধন কার্ড এর ফটোকপি, ৩* ফিঙ্গারপ্রিন্ট

এরপর আপনি সব কাগজ গুলো নিয়ে বিআরটিএ অফিসে জমা দিয়ে দিবেন, এই পদ্ধতিগুলো সম্পূর্ণ ফলো করলে আপনি তিন মাসের মধ্যেই ড্রাইভিং লাইসেন্স পেয়ে যাবেন ইনশাল্লাহ। 

আপনি শুধু একটা কাগজের মতন পাবেন ওইটাই আপনার ড্রাইভিং লাইসেন্স , তবে স্মার্ট কার্ড পেতে একটু দেরি হবে 6 মাস থেকে 1 বছর।

দেখলেন ড্রাইভিং লাইসেন্স করা কত সহজ, কিন্তু আমাদের মধ্যে কিছু বাঙালি একটু রাজকীয় টাইপের তাই আমরা চাই আমাদের কাজগুলো অন্য কেউ করে দেক , তাই আরকি দালালের জন্য সকলের ভোগান্তি পোহাতে হয়।


অনলাইনে যেভাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স করব / অনলাইনে যেভাবে এপ্লাই করব:

আসসালামু আলাইকুম আপনারা চাইলে খুব সহজেই অনলাইনে ড্রাইভিং লাইসেন্স এর জন্য এপ্লাই করতে পারেন, বা e-driving licence এর জন্য এপ্লাই করতে পারেন।

তাই আজকে আপনাকে জানাবো আমি

How to make e-driving licence.

তথ্য প্রযুক্তির কল্যাণে এখন সবকিছু পানির মতো সহজ যদি আপনি একটু এডভান্স হয়ে থাকেন । আপনি যদি অ্যাডভান্স যদি না হয়ে থাকেন তাহলে ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গেলে আপনি যদি কোন দালাল কে জিজ্ঞেস করে বসেন ভাই আমি বুঝছি না কিভাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স করব তাহলে ভাই দালাল আপনাকে ঘোড়া বুঝ দিয়ে 3000 টাকার ড্রাইভিং লাইসেন্সের জায়গায় আপনার পকেট থেকে 10 হাজার টাকা বের করে ছাড়বে।

যাই হোক ধন্যবাদ আপনাকে সম্পূর্ণ পড়ার জন্য, আমি বর্ণনা করেছি কিভাবে দালাল ছাড়া নিজে কাজ করে খুব সহজে ড্রাইভিং লাইসেন্স বের করা যায়।

অন্যদের সাথে শেয়ার করুন

0 Comments

দয়া করে নীতিমালা মেনে মন্তব্য করুন ??

নটিফিকেশন ও নোটিশ এরিয়া