KM Farhan https://www.kmfarhan.com/2021/02/blog-post_5.html

সব কাজে বরকত পাওয়ার জন্য করণীয় বিষয়।

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়াবারকাতুহু, প্রিয় দ্বীনি ভাই হৃদয়টাকে একটু নাড়া দেন, নিজেকে প্রশ্ন করেন কিসের জন্য দুনিয়াতে পাঠানো হয়েছে আমাদেরকে?

যদি আমলের জন্যই না হয় তবে কিসের জন্য!! দুনিয়ার সফলতার পিছনে না ছুটে, ঠিকমতো দিন পালন করে আল্লাহর কাছে চেয়ে নেওয়াটা কি উত্তম নয়??? মহান আল্লাহ তালাই সফলতা এনে দিবেন  আপনার অল্প পরিশ্রমের মাধ্যমে তবে এটা কেমন হবে বলেন?? যদি আপনি দ্বীন পালনে অটুল থাকেন, কাজে বরকত দিয়ে দিবেন আমাদের মহান আল্লাহতালা।


আমরা আলোচনা করব!! 

যে কাজ গুলো মাধ্যমে জীবনের সকল কাজে বরকত নেমে আসে।

১. রিজিক বৃদ্ধি, দোয়া করলে কবুল, টেনশন থেকে মুক্তি, যেকোনো বিপদ থেকে রক্ষা এবং আল্লাহর আজাব থেকে বাচার জন্য যে ছোট দোয়াটি পড়তে হয় জানতে ক্লিক করুন।

২. বরকত বাড়ানোর সবচেয়ে সহজ আমল পূর্ণাঙ্গ সালাম দেওয়া, আসসালামুআলাইকুম রাহমাতুল্লাহে ওবারাকাতুহ । পরিপূর্ণ সালাম দেওয়ার অর্থ হল, আপনি ওই ব্যক্তির জন্য শান্তি, রহমত এবং বরকতের জন্য দোয়া করছেন। 

হাদীসে এসেছে কেউ যদি অন্যের জন্য দোয়া করে ফেরেশতারা মহান আল্লাহতালা কে বলেন যে দোয়া করেছেন তাকে ওই জিনিসটা আগে দেন।

তার মানে একটু বোঝার চেষ্টা করেন কত সহজ এই আমলটা বরকত বাড়ানোর জন্য।

৩. ঈমান এবং তাকওয়া (যেকোনো হারাম কাজ থেকে নিজেকে বিরত রাখা) আনা, মহান আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে বলেন কোনো ব্যক্তি যদি, ঈমান এবং তাকওয়া অবলম্বন করে তাহলে আমি আসমান থেকে এবং জমিন থেকে তার জন্য বরকতের সব দরজা খুলে দিব। 

৪. যেকোনো কাজের শুরুতে বিসমিল্লাহ বলা যেমন: খাওয়া-দাওয়া আগে বিসমিল্লাহ বলা, পড়াশোনা শুরু করার আগে বিসমিল্লাহ বলা, এরকম ভাবে বিসমিল্লাহ বলে প্রতিটা কাজের শুরু করা।

৫. কুরআনের সাথে সম্পর্ক বাড়ানো যতটা সম্ভব, যে কোরানের সাথে যতটা সম্পর্ক বাড়াবে তার জীবনে তত বেশি বরকত নেমে আসবে। 

যে ঘরে যত বেশি কুরআন পড়া হবে, কুরআন বোঝার চেষ্টা করবে এবং মানার যারা চেষ্টা করবে তাদের ঘর অনেক বেশি পরিমাণে বরকত ময় হবে। 

৬. সদকা বা দান করা, এতে বিপদ-আপদ দূরে থাকে । (গোপন দান জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করে)

৭. আত্মীয়তার সম্পর্ক যতটা সম্ভব ভালো রাখা এবং তাদের বিপদ আপদে সাহায্য করতে হবে।

৮. যে কাজ করেন তা ভোর বেলা সুরু করা। রাসুল সাঃ বলেছেন আমার উম্মতদের সকালের কাজে বরকত দেয়া হয়েছে।

যদি ভোরবেলা কাজ করার মতো কোনো কাজ যদি না হয়। আপনার কাজটা তবে ভোরবেলা উঠে ওই কাজ সম্পর্কে পরিকল্পনা করতে পারেন।

৯. নিজে নামাজ পড়তে হবে এবং পরিবারের মানুষদের কে নামাজ পড়তে বলতে হবে।

এ বিষয়ে আমার মহান আল্লাহ তা'আলা বলেন, "এই কাজটায় অটল থাকলে আমি তোমাদের রিজিক দিব"।

১০. তাওয়াক্কুল (আল্লাহর উপরে ভরসা) করা মুমিন বান্দা আল্লাহর উপর যত বেশি ভরসা করবে মহান আল্লাহ তালা তত বেশি নেয়ামত বাড়িয়ে দিবেন, এবং বরকত দিয়ে দিবেন। 

কেউ যদি দুনিয়ার বস্তুর উপর ভরসা করে আল্লাহতালা ঐ বস্তুর মাধ্যমে তাকে অপমানিত করেন।

রাসূল (স) বলেন, যতটা পরিমাণ তাওয়াক্কুল করা দরকার ততটা যদি তোমরা করো মহান আল্লাহতালা পাখিকে যেভাবে রিযিক দেন তোমাদের কেউ সেই ভাবেই দিবেন।

অর্থাৎ রিজিকের দরজা সব খুলে যাবে। 

যে কোন কাজে সফলতার পরিমাণ অতিরিক্ত পরিমাণে বেড়ে যাবে।

বিষয়টি পড়ার জন্য ধন্যবাদ, প্রিয় মানুষদের কাছে লিংকটি শেয়ার করেন যাতে তারাও বিষয়টা জানতে পারে। 

মন মুগ্ধকর  কন্ঠে অ্যারাবিক নাত হাল্লাকা সিররুল শুনতে ক্লিক করুন

অন্যদের সাথে শেয়ার করুন

0 Comments

দয়া করে নীতিমালা মেনে মন্তব্য করুন ??

নটিফিকেশন ও নোটিশ এরিয়া