KM Farhan https://www.kmfarhan.com/2021/02/blog-post_13.html

টেস্টোস্টেরন হরমোন বৃদ্ধির উপায় |

শরীরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি হরমোন হল টেস্টোস্টেরন। এটি পুরুষের সেক্স হরমোন তবে নারীদের অতি অল্প পরিমাণে রয়েছে। যা পুরুষের শুক্রাশয় এবং নারীদের ডিম্বাশয় উৎপাদিত হয় এই হরমোন ছেলেদের বয়সে সময়তাদের শারীরিক পরিবর্তন ঘটায়।
যেমন পেশী বৃদ্ধি, কণ্ঠস্বর মোটা হওয়া,  চুল দাড়ি এবং লোমের বৃদ্ধির পেছনে প্রধান হিসেবে কাজ করেন।
এ বিষয়ের ভিডিও দেখতে ক্লিক করুন
টেস্টোস্টেরন হরমোন বুস্ট করার নিয়ম
     আজ জানাবো:-

★টেস্টোস্টেরন হরমোন কমে যাওয়ার লক্ষণ। 

★কি কি কারণে কমে যেতে পারে।

★টেস্টোস্টেরন হরমোন বাড়ানোর উপায়।


মাত্র দুটি পদ্ধতি অবলম্বন  করলেই টেস্টোস্টেরন লেভেল নিয়ন্ত্রণ এ আনা সম্ভব।
এখন প্রশ্ন হল এই হরমোন কমে যাওয়ার লক্ষণ কি???

টেস্টোস্টেরন হরমোন কমে গেলে যৌন আকাঙ্ক্ষা কমে যায়। লিঙ্গ ঠিকমতো বড় হয় না এছাড়াও শারীরিক দুর্বলতা সহ আরও অনেক সমস্যা দেখা দেয় এই হরমোন প্রধানত পুরুষের বীর্যের মাধ্যমে বের হয়।
বয়সন্ধিকালে টেস্টোস্টেরন তৈরীর মাত্রা বেশি থাকে । 
কৈশোরে শেষ থেকে থেকে 20 বছর বয়সের মাঝে টেস্টোস্টেরনের তৈরীর মাত্রা সবচেয়ে বেশি হয় এবং তারপর এর মাত্রা কমতে থাকে।
আবার, 35 বছর পর থেকে আবার টেস্টোস্টেরন হরমোন কমতে শুরু করে। 35 বছর বয়সের পর একজন পুরুষের টেস্টোস্টেরনের মাত্রা ধীরে ধীরে কমে যেতে থাকে এই কমে যাওয়াটা স্বাভাবিক কিন্তু অতিরিক্ত মাত্রা কমে গেলে অবশ্যই সেটা চিন্তার বিষয়।

এটি কমে গেলে পুরুষের শরীরে নানা সমস্যা দেখা দেয় যদিও অধিকাংশ পুরুষের প্রতিসরণের মাত্রা বেশি থাকে, পুরুষের মধ্যে হরমোন পর্যাপ্ত পরিমাণে উৎপাদিত হয় না বা ধীরে ধীরে কমে যেতে থাকে রক্ত পরীক্ষা করলে বুঝতে পারবেন আপনার শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণে আছে কিনা।

আরো কিছু লক্ষণ আছে যেগুলো দেখলে বুঝতে পারবেন আপনার টেস্টোস্টেরনের ঘাটতি রয়েছে কিনা যেমন,
  • টেস্টোস্টেরনের ঘাটতিতে যৌন দুর্বলতা হরমোন কমে গেলে সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়ে যৌন স্বাস্থ্যের উপর অতিরিক্ত হারে কমে গেলে লিঙ্গ দৃঢ় হয় না এবং অল্প সময়ে বীর্যপাত হয়ে যায়।
  • টেস্টোস্টেরনের ঘাটতিতে চুল পড়ে যায় পুরুষ হরমোন চুল এবং দাড়ি সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত এটির মাত্রা চুল পড়ে যেতে পারে। জার্নাল অফ সেক্সুয়াল এক গবেষণায় দেখা গেছে টেস্টোস্টেরনের অভাব রয়েছে এমন 56 শতাংশ পুরুষ বিষণ্ণতায় ভোগে
অস্বস্তি ও ব্যথা এই হরমোনের অভাবে প্রতিনিয়ত অস্বস্তিবোধ হতে পারে।
টেস্টোস্টেরন হরমোন এর অভাবে প্রতিনিয়ত অস্বস্তিবোধ হতে পারে এছাড়া শক্তি কমে যায় এবং হাড়ের সংযোগস্থলের ব্যথা অনুভূত হয়।টেস্টোস্টেরন ঘাটতির প্রভাবে পরবর্তী সময় বড় ধরনের  সমস্যার সম্মুখীন হয় মানুষ।

যেমন ধরেন, যারা চাকরি করেন, দুপুরের খাবারের পর অনেকেরই  শরীরের ক্লান্তি ভাব  চলে আসে। অফিসের কাজে প্রতি প্রায়ই উদ্দীপনা হারিয়ে যায়।
যে কোনো উদ্যোগই কাজে উৎসাহ মিলেনা বিশেষজ্ঞরা বলছেন এমনটা টেস্টোস্টেরন হরমোনের মাত্রা পরীক্ষা করানো উচিত।

পুরুষের স্তনের আকার বৃদ্ধি,  হরমোন কম থাকলে আপনি দেহে ইস্ট্রোজেন ও টেস্টোস্টেরনের ভারসাম্য নষ্ট হয়।

 

নিয়মিত ব্যায়ামের মাধ্যমে আপনার টেস্টোস্টেরন বাড়াতে পারেন। স্বাভাবিক ভাবে ভারোত্তোলন করতে পারেন এরকম ওজন উঠানামা করতে হবে এবং পুশ আপ, বেঞ্চ প্রেস  এর মত ব্যায়াম করতে হবে।

এবং কিছু খাবার রয়েছে যা খাওয়ার মাধ্যমে আপনার টেস্টোস্টেরন বাড়াতে  পারেন। 
  1. মধু 
  2. রসুন 
  3. কিসমিস 
  4. খেজুর /খুরমা খেজুর 
  5. বাঁধাকপি এবং পালংশাক
  6. ডিম 
  7. কাঠবাদাম 
  8. মাংস
  9. ডালিম 

মনোযোগের অভাব: 
  • মস্তিষ্ক ঘোলাটে করে দেয় টেস্টোস্টেরন  হরমোনের অভাব
  • মনোযোগ নষ্ট হয়, স্মৃতি শক্তিও কমে আসে ধীরে ধীরে।  

এখন কিভাবে এটাকে ঠিক করা সম্ভব এর মাত্রা আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনার জন্য দুটি পদ্ধতি আপনাদের সাথে আলোচনা করব।

এর মধ্যে একটা বিষয় লক্ষণীয় যে এক ঘণ্টার বেশি ব্যায়াম করা যাবে না এতে টেস্টোস্টেরন হরমোন কমে যেতে পারে ক্ষয় হতে পারে।

নিজেকে চাপমুক্ত বা দুশ্চিন্তা মুক্ত রাখার চেষ্টা করতে হবে কেননা এতে টেস্টোস্টেরন হরমোনের প্রবলেম হয়।

দুশ্চিন্তার জন্য যা ক্ষতি হয়ে থাকে:
ব্রেন ভালো রাখার টিপস জানতে ক্লিক করুন।


অন্যদের সাথে শেয়ার করুন

0 Comments

দয়া করে নীতিমালা মেনে মন্তব্য করুন ??

নটিফিকেশন ও নোটিশ এরিয়া