KM Farhan https://www.kmfarhan.com/2021/02/blog-post_12.html

স্বাস্থ্য অবনতি হওয়ার কারণ | শারীরিক অবনতির কারণ | মানসিক অবনতির কারণ |

নিয়মাবলী /নিয়মমাফিক চললে সবকিছু ঠিক রাখা সম্ভব। আমরা দৈনন্দিন কাজে ব্যস্ততার জন্য নিজের শরীরের যত্ন নিতেই ভুলে যাই, দেখা যায় সেটা পরে অনেক বড় রকমের সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়।


আজকে আপনাদের এমন কিছু টিপস দিব যার মাধ্যমে আপনি:

১, বদহজম,

২, কোষ্ঠকাঠিন্য,

৩, পেটে গ্যাস হওয়া,

৪, লিভারের সমস্যা, 

৫, ঢেকুর ওঠা এর মতো সমস্যা থেকে রেহাই পাবেন।

যে ভুলের কারণে উপরের সমস্যা গুলো হয়ে থাকে:

১, সকালে ঘুম থেকে উঠেই চিনি রয়েছে এরকম জাতীয় খাবার খাওয়া।

২, খাবারের পর সাথে সাথে গোসল করা।

৩, দ্রুত খাবার খাওয়া।

৪, খাবার খাওয়ার পর শুয়ে পড়া।

৫, মাছ, মাংস, ডিম এর সাথে সবজি না খাওয়া।

৬, খাবার খাওয়ার সাথে পানি খাওয়া।

৭, খাবার ভালোভাবে না চিবিয়ে খাওয়া।

৮, খাবার খাওয়ার পর সালাত খাওয়া।

৯, কম করে পানি পান করা।

১০, বেশি করে খাবার খাওয়া।

১১, খাবার খাওয়ার পর সাথে সাথেই হাটা।

১২, খিদে না লাগলেও খাবার খাওয়া।

১৩, সর্বদা শুয়ে বসে থাকা।

১৪, খাবারে বেশি পরিমাণে তেল ব্যবহার করা।

১৫, খাবার খাওয়ার পর দুধ পান করা।

১৬, রাতের খাবার দেরি করে খাওয়া এবং এরপর শুয়ে পড়া। 

১৭, সঠিক পরিমাণ সময় না ঘুমানো।


টেস্টোস্টেরন হরমোন বাড়ানোর উপায় জানতে ক্লিক করুন

ব্রেন ভালো রাখার উপায় জানতে ক্লিক করুন


1. সকালে খালি পেটে কোন মিষ্টি জাতীয় জিনিস ব্যবহার করা যেমন চা চিনি বিস্কিট আর বাকি যে সকল জিনিস চিনি দিয়ে বানানো হয়।এই প্রতিটা জিনিস খালি পেটে খাওয়ার ফলে আমাদের পেটে গ্যাসের সৃষ্টি হয়ে থাকে। এমনকি আমাদের পেন- গেছে খুব বাজে প্রভাব ফেলে। এইজন্য সকালে শরীরটা ন্যাচারাল খাবার দিয়ে করা উচিত উদাহরণস্বরূপ: একটি আপেল একটি কলা 100 থেকে 200 গ্রাম আঙ্গুর অথবা খেজুর।

2. খাবারের পর পরে স্নান করা। সেই সকল খাবার কে পচানোর জন্য রক্তের প্রভাব আমাদের পেটের দিকে বেশি হয়। গোসলের ফলে আমাদের দেহের তাপমাত্রা কমে যাওয়ার ফলে আমাদের পাচন প্রক্রিয়া ব্যক্ত ঘটে। এর জন্য খাবার খাওয়ার আগে করুন বা খাবার খাওয়ার দু'ঘণ্টা পরে করুন।

3. যখন খাবার আমরা খুব তাড়াতাড়ি খাই তখন কম সময়ে অনেক বেশি খাবার আমাদের পাকস্থলী চলে যায় এর ফলে খাবার গুলো আস্তে আস্তে যখন ফেলতে থাকে যার ফলে পেট অনেক ভারি ভারি লাগে এবং ঢেকুর ওঠার মতো সমস্যা সৃষ্টি হয়। সেজন্য আমাদের ধীরে ধীরে অল্প অল্প করে খাবার খাওয়া উচিত।

4. খাবার আমাদের পেটের উপর থেকে নিচের দিকে ট্রাভেল করে। এই জন্য খাবার খাওয়ার পরে শুয়ে পড়লে আমাদের দেহের খাবার পচনোর প্রিয়া ব্যক্ত ঘটে। যার ফলে খাবারের কিছু অংশ উপরের দিকে উঠতে থাকে। যার ফলে এসিডিটি বুকব্যথা এসকল সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। এজন্য খাবার খাওয়ার পরপরই কখন শুতে নেই। চেহার অথবা টেবিলের ওপর কিছুক্ষণ বসে থাকতে হবে।

5. ননভেজ এর সাথে কোন সবজি না খাওয়া। আপনি যে কোন  প্রকারের ননভেজ খাবার কোন প্রকার মাংস মাছ অথবা ডিম এগুলোর মধ্যে আমাদের দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তি অবশ্যই রয়েছে। কিন্তু যে জিনিস আমাদের পেটের নাড়িতে ওয়েস্ট জাতীয় কিছু খাবার বের করতে সক্ষম না সেটা রয়েছে সবজি জাতীয় কিছু খাবারে। সবজি জাতীয় কিছু খাবার খেলে আমাদের নারীর পরিষ্কার রাখতে সহায়তা করে।
৬, খাওয়ার কিছুক্ষণ পর জল পান করলে পেটের মধ্যে থাকা খাবার গুলো ফুলে যায় পেট থেকে বের হওয়া পাচন রস পানির সাথে মিশে যায় যার ফলে পাতন প্রক্রিয়া অনেক দূরে হয়ে যায় এর ফলে ভারী পেট হয়ে যায় তার জন্য খাবার খাওয়ার পরেই এক থেকে দুই শিফট পানি পান করতে পারেন 30 মিনিট পর গ্লাস ভরে পানি পান করতে পারেন।

৭, খাবার কৃত ভাঙার কাজ দুটি জায়গায় হয়ে থাকে প্রথমটি আমাদের মুখে দ্বিতীয়টি আমাদের পেটে তাকে ভাঙ্গার জন্য পেট কে বেশি খাটনি করতে হয় না যার ফলে খাবার তাড়াতাড়ি আর খুব সহজে হজম হয়ে যায় কিন্তু যখন খাবারকে ঠিকভাবে চেয়েও কোন হয়না সেই খাবার পেটে আসার পর কতক্ষণ অব্দি পেলে এমনিই পড়ে থাকে যতক্ষণ না খাবার ভালোভাবে পেলে ভেঙে পেস্টের রূপে না বদলে যায় যার জন্য খাবার খেয়ে হজম করতে আমাদের শরীরের বেশি সময় লাগে এবং বেশি খাটনি করতে হয় এজন্য পেটের কাজ এজন্য সহজ করার জন্য আমাদের খাবার টি মুখের ভেতর খুব ভালো করে চাবিয়ে চাপিয়ে নেওয়াটা দরকার পেটে যাওয়ার পর সেটা হজম করা সহজ হয়ে যায়।

৮, খাবার খাওয়ার পর সালাত খাওয়া বন্ধুরা সালাতে ইঞ্জাইম ও জলের মাত্রা বেশি থাকায় এটা হজম হতে সহজ হয় সালাত টা প্রথমে খাবার খাওয়ার আগে এবং খাবার খাওয়ার পরে উচিত নয় এমনটা করলে পাচন প্রক্রিয়া খুব ধীরে হয়ে যায়।

৯, অনেক কম জল পান করা শরীরের জল কম থাকার কারণে পাচন প্রক্রিয়া ব্যক্ত ঘটে এর ফলে দেহের খারাপ প্রভাব পড়ে থাকে এইজন্য দেহের সঠিক পরিমাণ পানি পান করা উচিত একজন ব্যক্তির সারাদিন 8 থেকে 10 গ্লাস পানি পান করা উচিত কিন্তু যারা ফল আর সালাত ব্যবহার করে ছয় থেকে সাত ক্লাসের পানিও পান করে তাদের জন্য তবে কিন্তু তাদের জন্য সেটা বেশি হয়ে যায় কিছু পরিমাণ জল ফল এবং সবজি থেকে পেয়ে যায়।

১০, খাবারকে হজম করার জন্য পেটে টান প্রসারিত প্রক্রিয়া শুরু হয় হজম প্রক্রিয়া ঠিকভাবে হওয়ার জন্য পেটে পরিমাণ জায়গা থাকা অনেক জরুরী কিন্তু এর উল্টো যদি খাবারটা অনেক টেস্টি হয় কিছু মানুষ খাবার শুরু করলে থামার নামিয়ে নেয় না যেমন যেটা কিনা পাচনতন্ত্র খারাপ হওয়ার কারণ হয়ে থাকে যখন পেট পুরোপুরি ভরে যায় টান এবং প্রসারিত প্রক্রিয়া শুরু হয় হজম করার প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতেই পারেনা অনেক সময় অবধি পেটে পড়ে থাকে হজম করার জন্য আমাদের পেট কিছুটা প্রসারিত হওয়ার চেষ্টা করলেও আবার উপরের দিকে আর নালীতে উঠে আসে এর ফলে বুক জ্বালা আর ছোট ছোট ঢেকুর উঠতে থাকে এটার দ্বারাই বোঝা যায় যে পেটে জোর করে কোন খাদ্য ভরে দেওয়া হয়েছে আর এইভাবে খাওয়া লোকেদের সঠিক মাত্রায় জলপান করাটা অনেক চাপ হয়ে যায় কারণে লোকদের পেট তো সবসময় খাবার দিয়ে ভরা থাকে জল পান করার জায়গাটুকুও বাচেনা যদি আপনি চান খাবার তাড়াতাড়ি হজম হোক তবে পেট ভরে কখনোই খাবেন না।

১১, খাবার খাওয়ার পর হাটা যদি খাবার খাওয়ার পর আপনার অভ্যাস হয়েছে তবে পল্লীটি হজমের জন্য ভালো মনে করা হয় হার্ট অ্যাটাকে কিন্তু খাবার খাওয়ার পরেই হা টাটা পেটে সমস্যা তৈরি করে যখন আমরা খাবার খায় সে খাবার টিকে হজম করার জন্য ব্লাড সার্কুলেশন আমাদের পেটের দিকে বেশী হতে শুরু করে কিন্তু খাবার খাওয়ার পরে যদি হাটা হয় ব্লাড সার্কুলেশন পেটের দিকে কম শরীরের দিকে বেশি হবে যার ফলে পাচন প্রক্রিয়া স্লো হয়ে যাবে এই জন্য খাবার খাওয়ার পর।

১৫, থেকে 20 মিনিট শুয়ে-বসে রেস্ট করতে হবে তারপর আপনি হাঁটতে যেতে পারেন এক্সারসাইজ করতে চান তাহলে খাবার খাওয়ার দুই ঘন্টা পরে তাহলে খাবার খাওয়ার পরে সেটা করা উচিত

১২, এক সময় অনেকে ওজন বাড়ানোর জন্য খিদে না লাগলেও খাবার খেয়ে নেয় যেটা কিন্তু হজমের খুব বাজে প্রভাব ফেলে কারণ পেটে একটা খাবার অর্ধেক হজম হওয়ার পর যখন আরও খবর পেটে যায় তখন আমাদের পাচনতন্ত্র কনফিউজড হয়ে যায় কারণ তাজা খাবার অর্ধেক হজম হওয়ার খাবার কে হজম করতে আলাদা টাইম লাগে যার ফলে পাচন শক্তি ধীরে ধীরে কম থাকে এবং পরবর্তীতে ডাইজেস্ট ইস্যু তৈরি হয় এজন্য খাবার তখনই খান যখন আপনার একটু হইলো খিদা লাগছে

১৩, ব্লাড সার্কুলেশন যত ভালো হবে পাচনতন্ত্র ততটাই ভালোভাবে কাজ করবে। কিন্তু যাদের বেশিভাগ সময় বসেই কাটাতে হয় তাদের শরীরের ব্লাড সার্কুলেশন অনেক ধীরে হয়ে যায়।
এজন্য দিনে কমসে কম 30 মিনিট ব্যায়াম করা উচিত

১৪, খাবার বলেন আমাদের শরীরে কার্বোহাইড্রেট প্রোটিন ফ্যাট এর মত মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট পাওয়া যায় এর মধ্যে ফ্যাটকে হজম করা আমাদের জন্য কঠিন হয়ে যায় 
আর খাবারে যে তেলের পরিমাণ বেশি থাকলে এর পরিমান  বেশি হয়ে যায় আর তাছাড়া এটার লিভারে বাজে ইফেক্ট ফেলে এজন্য খাবার সহজে হজম করার জন্য খাবারে তেলের পরিমাণ যতটা কম করা যায় ততটা কম করতে হবে

১৫, খাবার খাওয়ার পর দুধ পান করা প্রায় লোকে রাতে খাবার খাওয়ার পর দুধ পান পান করে যেটা কিনা পাচন প্রক্রিয়ায় সমস্যা সৃষ্টি করে তার কারণ দুধ নিজেই একটা সম্পূর্ণ আহার এর রূপ খাওয়ার পর দুধ পান করলে পাচন প্রক্রিয়া অনেক ধীরে হয়ে যায় তাই ভালো এটাই যদি আপনি যদি দুধ পান করেন রাতের খাবারের দু'ঘণ্টা পর 

১৬, রাতের খাওয়া লেট করা করা এবং শুয়ে পড়া। আমরা সবাই জানি খাবার ওপর থেকে নিচে নামে তাই খাবার খাওয়ার পর যদি শুয়ে পড়া হয় পাচন কি সমস্যা হয় যার ফলে সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে গ্যাস এবং বুকজ্বলার মত সমস্যা ফেস করতে হয় তাই খাওয়া-দাওয়ার পর অন্তত এক ঘণ্টা পর ঘুমোতে যান

১৭, ঘুমের ঘাটতি ঘটলে পুরো শরীর ক্লান্ত হয়ে থাকে কেননা দিনের বেলায় শরীরের প্রতিটি অঙ্গ বিভিন্ন কাজে নিয়োজিত থাকে তাই পুরো শরীরের বিশ্রামের জন্য দিনে 6 থেকে 8 ঘন্টা ঘুমানো উচিত এই নিয়ম কানুন মেনে চললে হজম শক্তি এবং পাচন প্রক্রিয়া ঠিকভাবে চলবে

অন্যদের সাথে শেয়ার করুন

0 Comments

দয়া করে নীতিমালা মেনে মন্তব্য করুন ??

নটিফিকেশন ও নোটিশ এরিয়া